, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বান্দরবান জেলা পরিষদে ক্রীড়া বিভাগের দায়িত্বে কাজী নিরুতাজ বেগম বান্দরবানে মারমা তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, সাইনি রিসোর্টের মালিক শৈক্য চিং মার্মার বিরুদ্ধে মামলা বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য জরুরি ত্রাণ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা দেবদেবীর ৫০ প্রতিমায় বর্ণিল আয়োজন, বালাঘাটা মন্দিরের দুর্গোৎসবে থাকছে থিমের বিশেষ চমক, দুর্গাপূজাকে ঘিরে ব্যতিক্রমী পরিকল্পনা, সফল আয়োজনের লক্ষ্যে মন্দির কমিটির সভা দায়িত্বের পালাবদলে নতুন অধ্যায়, নতুন নেতৃত্বে বান্দরবান কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দির , দায়িত্ব নিলেন রাজেশ্বর দাশ বিপ্লব, রিটল কান্তি বিশ্বাস ও দয়াল চৌধুরী পাহাড়ে ফুটবলের উচ্ছ্বাস, সম্প্রীতির বার্তা ছড়াল সেনাবাহিনী বাল্যবিবাহমুক্ত বান্দরবান গড়ার উদ্যোগ, গণমাধ্যমের সহযোগিতা চাইল প্রশাসন রোয়াংছড়ির পাহাড়ে নিরাপদ পানির নতুন ঠিকানা, ওয়াস প্রকল্পে বদলাচ্ছে স্যানিটেশন চিত্র নারীরা দেশের বোঝা নয়, একজন মা ও শিশু দেশের ভবিষ্যৎ: ইউএনও তাজমিন আলম তুলি বান্দরবানের বালাঘাটায় জয়ধ্বনি গীতা সংঘের আয়োজনে শ্রীশ্রী গণেশ পূজা

কুষ্ঠ রোগীদের বর্জন নয়, সচেতনতা ও মানবিক আচরণের আহ্বান চার ধর্মীয় গুরুর

  • প্রকাশের সময় : ০৮:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • ৬৫ পড়া হয়েছে

রিমন পালিত:বান্দরবান : কুষ্ঠ রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক কুসংস্কার ও ভ্রান্ত ধারণা দূর করতে বান্দরবানে চার ধর্মের ধর্মীয় গুরুর অংশগ্রহণে আলোচনা ও প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে বান্দরবান পৌরসভা কার্যালয়ে দি লেপ্রসি মিশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে ধর্মীয় গুরুদের নিয়ে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

সিএইচটি লেপ্রসি কন্ট্রোল অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন প্রজেক্ট, দি লেপ্রসি মিশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক পরেশ চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় চার ধর্মের ধর্মীয় গুরুরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে ইন্টারন্যাশনাল খ্রিষ্টিয়ান চার্চ, বান্দরবানের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান রেভারেন্ড পাকসিম বিত্লুং, দি লেপ্রসি মিশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের বান্দরবান জেলা সমন্বয়কারী জিং দুহ অম বমসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, কুষ্ঠ রোগ নিয়ে সমাজে এখনো নানা ধরনের ভ্রান্ত ধারণা ও কুসংস্কার প্রচলিত রয়েছে। এসব ভুল ধারণার কারণে অনেক সময় কুষ্ঠ আক্রান্ত ব্যক্তিরা সামাজিকভাবে অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার হন। অথচ কুষ্ঠ কোনো মরণব্যাধি নয় এবং যথাসময়ে সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করলে এ রোগ সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য।

ধর্মীয় গুরুরা বলেন, কুষ্ঠ রোগীদের সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন না করে তাদের প্রতি সহমর্মিতা ও মানবিক আচরণ করতে হবে। রোগের লক্ষণ দেখা দিলে ভয় বা লজ্জা না পেয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষকে উৎসাহিত করতে হবে।

তারা আরও বলেন, সমাজে মানুষের বিশ্বাস ও মূল্যবোধের ওপর ধর্মীয় নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে। তাই ধর্মীয় মঞ্চগুলোকে কাজে লাগিয়ে কুষ্ঠ রোগ সম্পর্কে সঠিক তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া এবং রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল মনোভাব গড়ে তুলতে ধর্মীয় গুরুরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

সভায় কুষ্ঠ রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো, রোগীদের সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা এবং কুসংস্কার ও বৈষম্য দূর করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

জনপ্রিয়

বান্দরবান জেলা পরিষদে ক্রীড়া বিভাগের দায়িত্বে কাজী নিরুতাজ বেগম

কুষ্ঠ রোগীদের বর্জন নয়, সচেতনতা ও মানবিক আচরণের আহ্বান চার ধর্মীয় গুরুর

প্রকাশের সময় : ০৮:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

রিমন পালিত:বান্দরবান : কুষ্ঠ রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক কুসংস্কার ও ভ্রান্ত ধারণা দূর করতে বান্দরবানে চার ধর্মের ধর্মীয় গুরুর অংশগ্রহণে আলোচনা ও প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে বান্দরবান পৌরসভা কার্যালয়ে দি লেপ্রসি মিশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে ধর্মীয় গুরুদের নিয়ে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

সিএইচটি লেপ্রসি কন্ট্রোল অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন প্রজেক্ট, দি লেপ্রসি মিশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক পরেশ চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় চার ধর্মের ধর্মীয় গুরুরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে ইন্টারন্যাশনাল খ্রিষ্টিয়ান চার্চ, বান্দরবানের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান রেভারেন্ড পাকসিম বিত্লুং, দি লেপ্রসি মিশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের বান্দরবান জেলা সমন্বয়কারী জিং দুহ অম বমসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, কুষ্ঠ রোগ নিয়ে সমাজে এখনো নানা ধরনের ভ্রান্ত ধারণা ও কুসংস্কার প্রচলিত রয়েছে। এসব ভুল ধারণার কারণে অনেক সময় কুষ্ঠ আক্রান্ত ব্যক্তিরা সামাজিকভাবে অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার হন। অথচ কুষ্ঠ কোনো মরণব্যাধি নয় এবং যথাসময়ে সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করলে এ রোগ সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য।

ধর্মীয় গুরুরা বলেন, কুষ্ঠ রোগীদের সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন না করে তাদের প্রতি সহমর্মিতা ও মানবিক আচরণ করতে হবে। রোগের লক্ষণ দেখা দিলে ভয় বা লজ্জা না পেয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষকে উৎসাহিত করতে হবে।

তারা আরও বলেন, সমাজে মানুষের বিশ্বাস ও মূল্যবোধের ওপর ধর্মীয় নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে। তাই ধর্মীয় মঞ্চগুলোকে কাজে লাগিয়ে কুষ্ঠ রোগ সম্পর্কে সঠিক তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া এবং রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল মনোভাব গড়ে তুলতে ধর্মীয় গুরুরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

সভায় কুষ্ঠ রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো, রোগীদের সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা এবং কুসংস্কার ও বৈষম্য দূর করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।