, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বান্দরবানের বালাঘাটায় জয়ধ্বনি গীতা সংঘের আয়োজনে শ্রীশ্রী গণেশ পূজা বাল্যবিবাহমুক্ত গ্রাম গড়তে রোয়াংছড়িতে কারবারি-হেডম্যানদের সঙ্গে প্রশাসনের মতবিনিময় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন রক্ষাকারী সেবায় প্রবেশাধিকার বাড়াতে বান্দরবানে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা বান্দরবানে কুষ্ঠ ও প্রতিবন্ধীদের অধিকার নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান বান্দরবানে আন্তর্জাতিক যুব দিবস উদযাপন দৈনিক বান্দরবানের কন্ঠ অনলাইন নিউজ প্রতিষ্ঠানের প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই।  দীর্ঘ ৭৫ বছর পর বান্দরবান সার্বজনীন কেন্দ্রীয় মন্দিরে ভোটগ্রহণ, উৎসবমুখর পরিবেশে সনাতনী সমাজের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস  উপলক্ষে সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছেন পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই । বান্দরবানের মানুষ আমার প্রাণ, যতদিন বেঁচে আছি তাদের সেবা করে যাব: এমপি সাচিং প্রু জেরী বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা

রাতভর সেনাবাহিনীর চৌকস অভিযানে টংকাবতীতে অপহৃত ৬ শ্রমিক জীবিত উদ্ধার

  • প্রকাশের সময় : ০৪:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৫ পড়া হয়েছে

রিমন পালিত: বান্দরবান : বান্দরবান সদর উপজেলার টংকাবতী ইউনিয়নে অজ্ঞাত সশস্ত্র গোষ্ঠীর হাতে অপহৃত ৬ জন রাবার শ্রমিককে জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

সেনাবাহিনীর বান্দরবান সেনা জোন (২৮ ই বেঙ্গল)-এর দ্রুত ও পরিকল্পিত অভিযানের ফলে এই সফল উদ্ধার সম্ভব হয়েছে।

জানা যায়, গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ রাত আনুমানিক ১১টা ৩০ মিনিটে টংকাবতী ইউনিয়নের ইসমাইলের রাবার বাগান এলাকা থেকে অজ্ঞাত সশস্ত্র একটি দল ৬ জন শ্রমিককে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরদিন ২৩ এপ্রিল অপহরণকারীরা একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে মোঃ ইসমাইলের কাছে ফোন করে ২০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং অর্থ প্রদান না করলে কিংবা বিষয়টি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে জানালে অপহৃতদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

অপহরণের ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গেই বান্দরবান সেনা জোন বিপুল সংখ্যক সেনাসদস্য নিয়ে একটি বিশেষ অভিযান শুরু করে। ২৩ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিল ভোর ৫টা পর্যন্ত দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় দিন-রাতব্যাপী চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরবর্তীতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ২৪ এপ্রিল ভোরে একটি বিশেষ অভিযান চালানো হলে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা অপহৃত শ্রমিকদের পাহাড়ে রেখেই দ্রুত পালিয়ে যায়।

পরে সেনাসদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে অপহৃতদের জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে নিরাপদে নিয়ে আসে। এসময় ম্যাংতাং ম্রো (৩০), পিতা: পাড়াও ম্রো, গ্রাম: লাকড়ি পাড়া, টংকাবতী নামে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

উদ্ধারকৃত শ্রমিকরা হলেন—মো. ইসমাইল, মো. আরাফাত, মো. শফিক, মো. নুরুল আফসার, মো. কলিমুল্লাহ এবং মো. রমিত। উদ্ধার শেষে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এই সফল অভিযান পাহাড়ি এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর দৃঢ় অবস্থান এবং সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাদের অঙ্গীকারের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং তারা সেনাবাহিনীর এমন দ্রুত পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

 

বান্দরবানের বালাঘাটায় জয়ধ্বনি গীতা সংঘের আয়োজনে শ্রীশ্রী গণেশ পূজা

রাতভর সেনাবাহিনীর চৌকস অভিযানে টংকাবতীতে অপহৃত ৬ শ্রমিক জীবিত উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ০৪:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

রিমন পালিত: বান্দরবান : বান্দরবান সদর উপজেলার টংকাবতী ইউনিয়নে অজ্ঞাত সশস্ত্র গোষ্ঠীর হাতে অপহৃত ৬ জন রাবার শ্রমিককে জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

সেনাবাহিনীর বান্দরবান সেনা জোন (২৮ ই বেঙ্গল)-এর দ্রুত ও পরিকল্পিত অভিযানের ফলে এই সফল উদ্ধার সম্ভব হয়েছে।

জানা যায়, গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ রাত আনুমানিক ১১টা ৩০ মিনিটে টংকাবতী ইউনিয়নের ইসমাইলের রাবার বাগান এলাকা থেকে অজ্ঞাত সশস্ত্র একটি দল ৬ জন শ্রমিককে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরদিন ২৩ এপ্রিল অপহরণকারীরা একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে মোঃ ইসমাইলের কাছে ফোন করে ২০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং অর্থ প্রদান না করলে কিংবা বিষয়টি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে জানালে অপহৃতদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

অপহরণের ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গেই বান্দরবান সেনা জোন বিপুল সংখ্যক সেনাসদস্য নিয়ে একটি বিশেষ অভিযান শুরু করে। ২৩ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিল ভোর ৫টা পর্যন্ত দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় দিন-রাতব্যাপী চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরবর্তীতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ২৪ এপ্রিল ভোরে একটি বিশেষ অভিযান চালানো হলে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা অপহৃত শ্রমিকদের পাহাড়ে রেখেই দ্রুত পালিয়ে যায়।

পরে সেনাসদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে অপহৃতদের জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে নিরাপদে নিয়ে আসে। এসময় ম্যাংতাং ম্রো (৩০), পিতা: পাড়াও ম্রো, গ্রাম: লাকড়ি পাড়া, টংকাবতী নামে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

উদ্ধারকৃত শ্রমিকরা হলেন—মো. ইসমাইল, মো. আরাফাত, মো. শফিক, মো. নুরুল আফসার, মো. কলিমুল্লাহ এবং মো. রমিত। উদ্ধার শেষে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এই সফল অভিযান পাহাড়ি এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর দৃঢ় অবস্থান এবং সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাদের অঙ্গীকারের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং তারা সেনাবাহিনীর এমন দ্রুত পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।