, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বাল্যবিবাহমুক্ত গ্রাম গড়তে রোয়াংছড়িতে কারবারি-হেডম্যানদের সঙ্গে প্রশাসনের মতবিনিময় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন রক্ষাকারী সেবায় প্রবেশাধিকার বাড়াতে বান্দরবানে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা বান্দরবানে কুষ্ঠ ও প্রতিবন্ধীদের অধিকার নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান বান্দরবানে আন্তর্জাতিক যুব দিবস উদযাপন দৈনিক বান্দরবানের কন্ঠ অনলাইন নিউজ প্রতিষ্ঠানের প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই।  দীর্ঘ ৭৫ বছর পর বান্দরবান সার্বজনীন কেন্দ্রীয় মন্দিরে ভোটগ্রহণ, উৎসবমুখর পরিবেশে সনাতনী সমাজের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস  উপলক্ষে সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছেন পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই । বান্দরবানের মানুষ আমার প্রাণ, যতদিন বেঁচে আছি তাদের সেবা করে যাব: এমপি সাচিং প্রু জেরী বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা বান্দরবান কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দিরের নবনির্বাচিত সভাপতি রাজেশ্বর দাশ বিপ্লবকে অগ্রিম অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা

কুষ্ঠ রোগীদের বর্জন নয়, সচেতনতা ও মানবিক আচরণের আহ্বান চার ধর্মীয় গুরুর

  • প্রকাশের সময় : ০৮:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • ৩৩ পড়া হয়েছে

রিমন পালিত:বান্দরবান : কুষ্ঠ রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক কুসংস্কার ও ভ্রান্ত ধারণা দূর করতে বান্দরবানে চার ধর্মের ধর্মীয় গুরুর অংশগ্রহণে আলোচনা ও প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে বান্দরবান পৌরসভা কার্যালয়ে দি লেপ্রসি মিশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে ধর্মীয় গুরুদের নিয়ে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

সিএইচটি লেপ্রসি কন্ট্রোল অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন প্রজেক্ট, দি লেপ্রসি মিশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক পরেশ চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় চার ধর্মের ধর্মীয় গুরুরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে ইন্টারন্যাশনাল খ্রিষ্টিয়ান চার্চ, বান্দরবানের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান রেভারেন্ড পাকসিম বিত্লুং, দি লেপ্রসি মিশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের বান্দরবান জেলা সমন্বয়কারী জিং দুহ অম বমসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, কুষ্ঠ রোগ নিয়ে সমাজে এখনো নানা ধরনের ভ্রান্ত ধারণা ও কুসংস্কার প্রচলিত রয়েছে। এসব ভুল ধারণার কারণে অনেক সময় কুষ্ঠ আক্রান্ত ব্যক্তিরা সামাজিকভাবে অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার হন। অথচ কুষ্ঠ কোনো মরণব্যাধি নয় এবং যথাসময়ে সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করলে এ রোগ সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য।

ধর্মীয় গুরুরা বলেন, কুষ্ঠ রোগীদের সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন না করে তাদের প্রতি সহমর্মিতা ও মানবিক আচরণ করতে হবে। রোগের লক্ষণ দেখা দিলে ভয় বা লজ্জা না পেয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষকে উৎসাহিত করতে হবে।

তারা আরও বলেন, সমাজে মানুষের বিশ্বাস ও মূল্যবোধের ওপর ধর্মীয় নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে। তাই ধর্মীয় মঞ্চগুলোকে কাজে লাগিয়ে কুষ্ঠ রোগ সম্পর্কে সঠিক তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া এবং রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল মনোভাব গড়ে তুলতে ধর্মীয় গুরুরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

সভায় কুষ্ঠ রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো, রোগীদের সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা এবং কুসংস্কার ও বৈষম্য দূর করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বাল্যবিবাহমুক্ত গ্রাম গড়তে রোয়াংছড়িতে কারবারি-হেডম্যানদের সঙ্গে প্রশাসনের মতবিনিময়

কুষ্ঠ রোগীদের বর্জন নয়, সচেতনতা ও মানবিক আচরণের আহ্বান চার ধর্মীয় গুরুর

প্রকাশের সময় : ০৮:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

রিমন পালিত:বান্দরবান : কুষ্ঠ রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক কুসংস্কার ও ভ্রান্ত ধারণা দূর করতে বান্দরবানে চার ধর্মের ধর্মীয় গুরুর অংশগ্রহণে আলোচনা ও প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে বান্দরবান পৌরসভা কার্যালয়ে দি লেপ্রসি মিশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে ধর্মীয় গুরুদের নিয়ে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

সিএইচটি লেপ্রসি কন্ট্রোল অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন প্রজেক্ট, দি লেপ্রসি মিশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক পরেশ চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় চার ধর্মের ধর্মীয় গুরুরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে ইন্টারন্যাশনাল খ্রিষ্টিয়ান চার্চ, বান্দরবানের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান রেভারেন্ড পাকসিম বিত্লুং, দি লেপ্রসি মিশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের বান্দরবান জেলা সমন্বয়কারী জিং দুহ অম বমসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, কুষ্ঠ রোগ নিয়ে সমাজে এখনো নানা ধরনের ভ্রান্ত ধারণা ও কুসংস্কার প্রচলিত রয়েছে। এসব ভুল ধারণার কারণে অনেক সময় কুষ্ঠ আক্রান্ত ব্যক্তিরা সামাজিকভাবে অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার হন। অথচ কুষ্ঠ কোনো মরণব্যাধি নয় এবং যথাসময়ে সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করলে এ রোগ সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য।

ধর্মীয় গুরুরা বলেন, কুষ্ঠ রোগীদের সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন না করে তাদের প্রতি সহমর্মিতা ও মানবিক আচরণ করতে হবে। রোগের লক্ষণ দেখা দিলে ভয় বা লজ্জা না পেয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষকে উৎসাহিত করতে হবে।

তারা আরও বলেন, সমাজে মানুষের বিশ্বাস ও মূল্যবোধের ওপর ধর্মীয় নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে। তাই ধর্মীয় মঞ্চগুলোকে কাজে লাগিয়ে কুষ্ঠ রোগ সম্পর্কে সঠিক তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া এবং রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল মনোভাব গড়ে তুলতে ধর্মীয় গুরুরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

সভায় কুষ্ঠ রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো, রোগীদের সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা এবং কুসংস্কার ও বৈষম্য দূর করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।