, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বান্দরবানের বালাঘাটায় জয়ধ্বনি গীতা সংঘের আয়োজনে শ্রীশ্রী গণেশ পূজা বাল্যবিবাহমুক্ত গ্রাম গড়তে রোয়াংছড়িতে কারবারি-হেডম্যানদের সঙ্গে প্রশাসনের মতবিনিময় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন রক্ষাকারী সেবায় প্রবেশাধিকার বাড়াতে বান্দরবানে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা বান্দরবানে কুষ্ঠ ও প্রতিবন্ধীদের অধিকার নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান বান্দরবানে আন্তর্জাতিক যুব দিবস উদযাপন দৈনিক বান্দরবানের কন্ঠ অনলাইন নিউজ প্রতিষ্ঠানের প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই।  দীর্ঘ ৭৫ বছর পর বান্দরবান সার্বজনীন কেন্দ্রীয় মন্দিরে ভোটগ্রহণ, উৎসবমুখর পরিবেশে সনাতনী সমাজের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস  উপলক্ষে সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছেন পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই । বান্দরবানের মানুষ আমার প্রাণ, যতদিন বেঁচে আছি তাদের সেবা করে যাব: এমপি সাচিং প্রু জেরী বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা

ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায়ও নিরলস সেবা: দ্রুত সংস্কার জরুরি বান্দরবান সোনালী ব্যাংক ভবন

  • প্রকাশের সময় : ১২:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ১০৩ পড়া হয়েছে

রিমন পালিত: বান্দরবান: বান্দরবান জেলা সদরে অবস্থিত সোনালী ব্যাংকের একটি শাখা ভবন বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে। ভবনের বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে, দেয়াল ভেঙে পড়ার উপক্রম, এমনকি লোহার রড পর্যন্ত বের হয়ে এসেছে যা যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি করছে।

তবুও, জীবনের ঝুঁকি উপেক্ষা করে প্রতিদিন সাধারণ মানুষের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন ব্যাংকের সম্মানিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাদের এই দায়িত্ববোধ, নিষ্ঠা এবং মানবিকতা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। প্রতিকূল পরিস্থিতির মাঝেও তারা মানুষের আস্থা ধরে রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন যা নিঃসন্দেহে গর্ব করার মতো একটি উদাহরণ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, “আমরা চাই এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি দ্রুত ভেঙে নতুন করে আধুনিক ও নিরাপদ ভবন নির্মাণ করা হোক। কারণ যেকোনো সময় ভূমিকম্প বা বড় ধরনের কম্পনে এটি ধসে পড়তে পারে। এতে সাধারণ গ্রাহক ও ব্যাংক কর্মকর্তারা মারাত্মক প্রাণহানির ঝুঁকিতে পড়বেন।

তারা আরও বলেন, ঢাকায় অবস্থানরত সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের জোর দাবি—এই সমস্যার দ্রুত সমাধান করা হোক এবং নতুন একটি নিরাপদ ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হোক। এতে করে যেমন ব্যাংকের সেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে, তেমনি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাধারণ মানুষের জীবনও সুরক্ষিত থাকবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, মানুষের জীবনই সবচেয়ে মূল্যবান। তাই সবার আগে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তারপর সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করাই হওয়া উচিত প্রধান অগ্রাধিকার।

একদিকে যেমন ব্যাংকারদের সাহসী ও মানবিক ভূমিকার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা, অন্যদিকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণই এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

বান্দরবানের বালাঘাটায় জয়ধ্বনি গীতা সংঘের আয়োজনে শ্রীশ্রী গণেশ পূজা

ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায়ও নিরলস সেবা: দ্রুত সংস্কার জরুরি বান্দরবান সোনালী ব্যাংক ভবন

প্রকাশের সময় : ১২:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

রিমন পালিত: বান্দরবান: বান্দরবান জেলা সদরে অবস্থিত সোনালী ব্যাংকের একটি শাখা ভবন বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে। ভবনের বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে, দেয়াল ভেঙে পড়ার উপক্রম, এমনকি লোহার রড পর্যন্ত বের হয়ে এসেছে যা যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি করছে।

তবুও, জীবনের ঝুঁকি উপেক্ষা করে প্রতিদিন সাধারণ মানুষের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন ব্যাংকের সম্মানিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাদের এই দায়িত্ববোধ, নিষ্ঠা এবং মানবিকতা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। প্রতিকূল পরিস্থিতির মাঝেও তারা মানুষের আস্থা ধরে রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন যা নিঃসন্দেহে গর্ব করার মতো একটি উদাহরণ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, “আমরা চাই এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি দ্রুত ভেঙে নতুন করে আধুনিক ও নিরাপদ ভবন নির্মাণ করা হোক। কারণ যেকোনো সময় ভূমিকম্প বা বড় ধরনের কম্পনে এটি ধসে পড়তে পারে। এতে সাধারণ গ্রাহক ও ব্যাংক কর্মকর্তারা মারাত্মক প্রাণহানির ঝুঁকিতে পড়বেন।

তারা আরও বলেন, ঢাকায় অবস্থানরত সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের জোর দাবি—এই সমস্যার দ্রুত সমাধান করা হোক এবং নতুন একটি নিরাপদ ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হোক। এতে করে যেমন ব্যাংকের সেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে, তেমনি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাধারণ মানুষের জীবনও সুরক্ষিত থাকবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, মানুষের জীবনই সবচেয়ে মূল্যবান। তাই সবার আগে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তারপর সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করাই হওয়া উচিত প্রধান অগ্রাধিকার।

একদিকে যেমন ব্যাংকারদের সাহসী ও মানবিক ভূমিকার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা, অন্যদিকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণই এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।