, শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ফিরে আসা বম-ত্রিপুরা-ম্রো জনগোষ্ঠীর পাশে সেনাবাহিনী, ১২ গ্রামের জন্য দুইটি চাঁদের গাড়ি হস্তান্তর প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বান্দরবানে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা প্রয়াত নিরাপত্তা প্রহরীর পরিবারের পাশে বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্ট চেয়ারম্যান বান্দরবানে ২০ বছর ধরে পলাতক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি উসিংনু মার্মাকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১৫। কুষ্ঠ রোগীদের জীবনমান উন্নয়নে বান্দরবানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে দি লেপ্রসি মিশন ইন্টারন্যাশনাল কুষ্ঠ রোগীদের বর্জন নয়, সচেতনতা ও মানবিক আচরণের আহ্বান চার ধর্মীয় গুরুর বান্দরবানে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা নিয়ে মতবিনিময় সভা বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সেনাবাহিনীর শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ বান্দরবানে ১০ লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ নারী গ্রেপ্তার মানবিকতার আরেকটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন বান্দরবানের জেলা প্রশাসক

বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সেনাবাহিনীর শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

  • প্রকাশের সময় : ০৮:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
  • ১৯ পড়া হয়েছে

মো. লোকমান হাকিম রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি।

বান্দরবানের রুমা উপজেলার দুর্গম রাইনখিয়াং এলাকার বিভিন্ন পাড়ায় অবস্থিত স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী ও স্কুল ড্রেস বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

গত শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ১০টায় রুমা জোনের উদ্যোগে এবং জোন কমান্ডারের নির্দেশনায় মেজর মো নেওয়াজ মোর্শেদের নেতৃত্বে এ মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

রাইনখিয়াং পাড়া আর্মি ক্যাম্পের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় পুকুর পাড়া, প্রংজং পাড়া, সুরাহা পাড়া ও চার্জিং পাড়ার স্কুলসমূহের মোট ১১২ জন শিক্ষার্থীর মাঝে স্কুল ড্রেস, ছাতা ও অন্যান্য শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।

শিক্ষা উপকরণ পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শ্রেয়া ত্রিপুরা বলেন,আমরা শিক্ষা উপকরণ পেয়ে অনেক খুশি হয়েছি। স্কুল ড্রেস, ছাতা, খাতা সব পেয়েছি।

এ সময় মেজর মো নেওয়াজ মোর্শেদ বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময়ই পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর পাশে থেকে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমে উৎসাহিত করতে এই শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয় অভিভাবকরা জানান, দুর্গম এলাকার অনেক পরিবারের পক্ষে সন্তানদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়ে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এমন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়াবে এবং অভিভাবকদেরও অনেকটা স্বস্তি দিয়েছে বলে মনে করছি।

স্থানীয়রা আরাও জানান, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার প্রতি মনোযোগ বাড়াতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও শিক্ষা ও মানবিক সহায়তামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয়

ফিরে আসা বম-ত্রিপুরা-ম্রো জনগোষ্ঠীর পাশে সেনাবাহিনী, ১২ গ্রামের জন্য দুইটি চাঁদের গাড়ি হস্তান্তর

বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সেনাবাহিনীর শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

প্রকাশের সময় : ০৮:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

মো. লোকমান হাকিম রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি।

বান্দরবানের রুমা উপজেলার দুর্গম রাইনখিয়াং এলাকার বিভিন্ন পাড়ায় অবস্থিত স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী ও স্কুল ড্রেস বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

গত শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ১০টায় রুমা জোনের উদ্যোগে এবং জোন কমান্ডারের নির্দেশনায় মেজর মো নেওয়াজ মোর্শেদের নেতৃত্বে এ মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

রাইনখিয়াং পাড়া আর্মি ক্যাম্পের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় পুকুর পাড়া, প্রংজং পাড়া, সুরাহা পাড়া ও চার্জিং পাড়ার স্কুলসমূহের মোট ১১২ জন শিক্ষার্থীর মাঝে স্কুল ড্রেস, ছাতা ও অন্যান্য শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।

শিক্ষা উপকরণ পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শ্রেয়া ত্রিপুরা বলেন,আমরা শিক্ষা উপকরণ পেয়ে অনেক খুশি হয়েছি। স্কুল ড্রেস, ছাতা, খাতা সব পেয়েছি।

এ সময় মেজর মো নেওয়াজ মোর্শেদ বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময়ই পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর পাশে থেকে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমে উৎসাহিত করতে এই শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয় অভিভাবকরা জানান, দুর্গম এলাকার অনেক পরিবারের পক্ষে সন্তানদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়ে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এমন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়াবে এবং অভিভাবকদেরও অনেকটা স্বস্তি দিয়েছে বলে মনে করছি।

স্থানীয়রা আরাও জানান, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার প্রতি মনোযোগ বাড়াতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও শিক্ষা ও মানবিক সহায়তামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।