, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বান্দরবানের বালাঘাটায় জয়ধ্বনি গীতা সংঘের আয়োজনে শ্রীশ্রী গণেশ পূজা বাল্যবিবাহমুক্ত গ্রাম গড়তে রোয়াংছড়িতে কারবারি-হেডম্যানদের সঙ্গে প্রশাসনের মতবিনিময় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন রক্ষাকারী সেবায় প্রবেশাধিকার বাড়াতে বান্দরবানে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা বান্দরবানে কুষ্ঠ ও প্রতিবন্ধীদের অধিকার নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান বান্দরবানে আন্তর্জাতিক যুব দিবস উদযাপন দৈনিক বান্দরবানের কন্ঠ অনলাইন নিউজ প্রতিষ্ঠানের প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই।  দীর্ঘ ৭৫ বছর পর বান্দরবান সার্বজনীন কেন্দ্রীয় মন্দিরে ভোটগ্রহণ, উৎসবমুখর পরিবেশে সনাতনী সমাজের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস  উপলক্ষে সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছেন পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই । বান্দরবানের মানুষ আমার প্রাণ, যতদিন বেঁচে আছি তাদের সেবা করে যাব: এমপি সাচিং প্রু জেরী বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা

বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সেনাবাহিনীর শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

  • প্রকাশের সময় : ০৮:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
  • ৪৩ পড়া হয়েছে

মো. লোকমান হাকিম রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি।

বান্দরবানের রুমা উপজেলার দুর্গম রাইনখিয়াং এলাকার বিভিন্ন পাড়ায় অবস্থিত স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী ও স্কুল ড্রেস বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

গত শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ১০টায় রুমা জোনের উদ্যোগে এবং জোন কমান্ডারের নির্দেশনায় মেজর মো নেওয়াজ মোর্শেদের নেতৃত্বে এ মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

রাইনখিয়াং পাড়া আর্মি ক্যাম্পের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় পুকুর পাড়া, প্রংজং পাড়া, সুরাহা পাড়া ও চার্জিং পাড়ার স্কুলসমূহের মোট ১১২ জন শিক্ষার্থীর মাঝে স্কুল ড্রেস, ছাতা ও অন্যান্য শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।

শিক্ষা উপকরণ পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শ্রেয়া ত্রিপুরা বলেন,আমরা শিক্ষা উপকরণ পেয়ে অনেক খুশি হয়েছি। স্কুল ড্রেস, ছাতা, খাতা সব পেয়েছি।

এ সময় মেজর মো নেওয়াজ মোর্শেদ বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময়ই পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর পাশে থেকে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমে উৎসাহিত করতে এই শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয় অভিভাবকরা জানান, দুর্গম এলাকার অনেক পরিবারের পক্ষে সন্তানদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়ে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এমন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়াবে এবং অভিভাবকদেরও অনেকটা স্বস্তি দিয়েছে বলে মনে করছি।

স্থানীয়রা আরাও জানান, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার প্রতি মনোযোগ বাড়াতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও শিক্ষা ও মানবিক সহায়তামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বান্দরবানের বালাঘাটায় জয়ধ্বনি গীতা সংঘের আয়োজনে শ্রীশ্রী গণেশ পূজা

বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সেনাবাহিনীর শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

প্রকাশের সময় : ০৮:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

মো. লোকমান হাকিম রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি।

বান্দরবানের রুমা উপজেলার দুর্গম রাইনখিয়াং এলাকার বিভিন্ন পাড়ায় অবস্থিত স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী ও স্কুল ড্রেস বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

গত শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ১০টায় রুমা জোনের উদ্যোগে এবং জোন কমান্ডারের নির্দেশনায় মেজর মো নেওয়াজ মোর্শেদের নেতৃত্বে এ মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

রাইনখিয়াং পাড়া আর্মি ক্যাম্পের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় পুকুর পাড়া, প্রংজং পাড়া, সুরাহা পাড়া ও চার্জিং পাড়ার স্কুলসমূহের মোট ১১২ জন শিক্ষার্থীর মাঝে স্কুল ড্রেস, ছাতা ও অন্যান্য শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।

শিক্ষা উপকরণ পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শ্রেয়া ত্রিপুরা বলেন,আমরা শিক্ষা উপকরণ পেয়ে অনেক খুশি হয়েছি। স্কুল ড্রেস, ছাতা, খাতা সব পেয়েছি।

এ সময় মেজর মো নেওয়াজ মোর্শেদ বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময়ই পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর পাশে থেকে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমে উৎসাহিত করতে এই শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয় অভিভাবকরা জানান, দুর্গম এলাকার অনেক পরিবারের পক্ষে সন্তানদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়ে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এমন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়াবে এবং অভিভাবকদেরও অনেকটা স্বস্তি দিয়েছে বলে মনে করছি।

স্থানীয়রা আরাও জানান, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার প্রতি মনোযোগ বাড়াতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও শিক্ষা ও মানবিক সহায়তামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।