, রবিবার, ০২ আগস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ফিরে আসা বম-ত্রিপুরা-ম্রো জনগোষ্ঠীর পাশে সেনাবাহিনী, ১২ গ্রামের জন্য দুইটি চাঁদের গাড়ি হস্তান্তর প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বান্দরবানে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা প্রয়াত নিরাপত্তা প্রহরীর পরিবারের পাশে বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্ট চেয়ারম্যান বান্দরবানে ২০ বছর ধরে পলাতক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি উসিংনু মার্মাকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১৫। কুষ্ঠ রোগীদের জীবনমান উন্নয়নে বান্দরবানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে দি লেপ্রসি মিশন ইন্টারন্যাশনাল কুষ্ঠ রোগীদের বর্জন নয়, সচেতনতা ও মানবিক আচরণের আহ্বান চার ধর্মীয় গুরুর বান্দরবানে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা নিয়ে মতবিনিময় সভা বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সেনাবাহিনীর শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ বান্দরবানে ১০ লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ নারী গ্রেপ্তার মানবিকতার আরেকটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন বান্দরবানের জেলা প্রশাসক

আগুনে সর্বস্ব হারানো মানুষের পাশে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব জাবেদ রেজা

  • প্রকাশের সময় : ০৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
  • ৫২ পড়া হয়েছে

রিমন পালিত:বান্দরবান: বান্দরবানের বালাঘাটা এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে মানবিক সহায়তা ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব জাবেদ রেজা।

রোববার (৭ জুন) সকালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে এবং নিজস্ব তহবিলের সহায়তায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। এ সময় জাবেদ রেজা ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের দুর্দশা লাঘবে ভবিষ্যতে আরও সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

ত্রাণ বিতরণকালে জাবেদ রেজা বলেন, তারেক রহমানের নির্দেশনা হলো দুর্যোগ ও সংকটে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো। যেখানেই মানুষ বিপদগ্রস্ত হবে, সেখানেই বিএনপির নেতা-কর্মীরা মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই আমরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছি।

তিনি আরও বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার পর দলীয় নেতা-কর্মীদের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া, ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রণয়ন করে পরবর্তী সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলেও জানান তিনি।

এ সময় জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জসিম উদ্দীন তুষার, আবিদুর রহমান, রিটল বিশ্বাস, সরওয়ান জামাল, শফি উল্লাহ, চনুমং মারমা, সাহাদাত হোসেন জনি, আয়ুব খানসহ জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (৫ জুন) সকালে বালাঘাটা এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১০টি বসতঘর পুড়ে যায়। এতে কয়েকটি পরিবার তাদের বসতবাড়ি ও প্রয়োজনীয় মালামাল হারিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে। ঘটনার পর থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় বিভিন্ন ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন ও রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয়

ফিরে আসা বম-ত্রিপুরা-ম্রো জনগোষ্ঠীর পাশে সেনাবাহিনী, ১২ গ্রামের জন্য দুইটি চাঁদের গাড়ি হস্তান্তর

আগুনে সর্বস্ব হারানো মানুষের পাশে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব জাবেদ রেজা

প্রকাশের সময় : ০৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

রিমন পালিত:বান্দরবান: বান্দরবানের বালাঘাটা এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে মানবিক সহায়তা ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব জাবেদ রেজা।

রোববার (৭ জুন) সকালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে এবং নিজস্ব তহবিলের সহায়তায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। এ সময় জাবেদ রেজা ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের দুর্দশা লাঘবে ভবিষ্যতে আরও সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

ত্রাণ বিতরণকালে জাবেদ রেজা বলেন, তারেক রহমানের নির্দেশনা হলো দুর্যোগ ও সংকটে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো। যেখানেই মানুষ বিপদগ্রস্ত হবে, সেখানেই বিএনপির নেতা-কর্মীরা মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই আমরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছি।

তিনি আরও বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার পর দলীয় নেতা-কর্মীদের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া, ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রণয়ন করে পরবর্তী সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলেও জানান তিনি।

এ সময় জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জসিম উদ্দীন তুষার, আবিদুর রহমান, রিটল বিশ্বাস, সরওয়ান জামাল, শফি উল্লাহ, চনুমং মারমা, সাহাদাত হোসেন জনি, আয়ুব খানসহ জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (৫ জুন) সকালে বালাঘাটা এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১০টি বসতঘর পুড়ে যায়। এতে কয়েকটি পরিবার তাদের বসতবাড়ি ও প্রয়োজনীয় মালামাল হারিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে। ঘটনার পর থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় বিভিন্ন ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন ও রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।