, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রাতভর সেনাবাহিনীর চৌকস অভিযানে টংকাবতীতে অপহৃত ৬ শ্রমিক জীবিত উদ্ধার বান্দরবানে অসহায়দের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী—মানবিক সহায়তায় স্বপ্ন ফিরছে শতাধিক পরিবারে আলীকদমে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে স্বাস্থ্যসেবা প্রশিক্ষণ সম্পন্ন বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে দায়িত্ব, মানবতার পাশে প্রতিশ্রুতি—সাহস, শৃঙ্খলা ও সেবায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বান্দরবানে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো বাক ও প্রতিবন্ধী হ্লানুচিং মারমার পরিবারের পাশে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক মাহা সাংগ্রাই পোয়েঃ’র রঙে রাঙা তারাছা—মৈত্রী পানি বর্ষণে প্রাণবন্ত মারমা তরুণ-তরুণী বান্দরবান ভাগ্যকূল এলাকায় যুবদল সদস্য মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ পাহাড়ে শিক্ষার ডিজিটাল জাগরণ: বান্দরবানে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে ল্যাপটপ বিতরণ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায়ও নিরলস সেবা: দ্রুত সংস্কার জরুরি বান্দরবান সোনালী ব্যাংক ভবন

রাতভর সেনাবাহিনীর চৌকস অভিযানে টংকাবতীতে অপহৃত ৬ শ্রমিক জীবিত উদ্ধার

  • প্রকাশের সময় : ৩ ঘন্টা আগে
  • ২ পড়া হয়েছে

রিমন পালিত: বান্দরবান : বান্দরবান সদর উপজেলার টংকাবতী ইউনিয়নে অজ্ঞাত সশস্ত্র গোষ্ঠীর হাতে অপহৃত ৬ জন রাবার শ্রমিককে জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

সেনাবাহিনীর বান্দরবান সেনা জোন (২৮ ই বেঙ্গল)-এর দ্রুত ও পরিকল্পিত অভিযানের ফলে এই সফল উদ্ধার সম্ভব হয়েছে।

জানা যায়, গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ রাত আনুমানিক ১১টা ৩০ মিনিটে টংকাবতী ইউনিয়নের ইসমাইলের রাবার বাগান এলাকা থেকে অজ্ঞাত সশস্ত্র একটি দল ৬ জন শ্রমিককে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরদিন ২৩ এপ্রিল অপহরণকারীরা একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে মোঃ ইসমাইলের কাছে ফোন করে ২০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং অর্থ প্রদান না করলে কিংবা বিষয়টি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে জানালে অপহৃতদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

অপহরণের ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গেই বান্দরবান সেনা জোন বিপুল সংখ্যক সেনাসদস্য নিয়ে একটি বিশেষ অভিযান শুরু করে। ২৩ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিল ভোর ৫টা পর্যন্ত দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় দিন-রাতব্যাপী চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরবর্তীতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ২৪ এপ্রিল ভোরে একটি বিশেষ অভিযান চালানো হলে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা অপহৃত শ্রমিকদের পাহাড়ে রেখেই দ্রুত পালিয়ে যায়।

পরে সেনাসদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে অপহৃতদের জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে নিরাপদে নিয়ে আসে। এসময় ম্যাংতাং ম্রো (৩০), পিতা: পাড়াও ম্রো, গ্রাম: লাকড়ি পাড়া, টংকাবতী নামে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

উদ্ধারকৃত শ্রমিকরা হলেন—মো. ইসমাইল, মো. আরাফাত, মো. শফিক, মো. নুরুল আফসার, মো. কলিমুল্লাহ এবং মো. রমিত। উদ্ধার শেষে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এই সফল অভিযান পাহাড়ি এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর দৃঢ় অবস্থান এবং সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাদের অঙ্গীকারের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং তারা সেনাবাহিনীর এমন দ্রুত পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

 

জনপ্রিয়

রাতভর সেনাবাহিনীর চৌকস অভিযানে টংকাবতীতে অপহৃত ৬ শ্রমিক জীবিত উদ্ধার

রাতভর সেনাবাহিনীর চৌকস অভিযানে টংকাবতীতে অপহৃত ৬ শ্রমিক জীবিত উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ৩ ঘন্টা আগে

রিমন পালিত: বান্দরবান : বান্দরবান সদর উপজেলার টংকাবতী ইউনিয়নে অজ্ঞাত সশস্ত্র গোষ্ঠীর হাতে অপহৃত ৬ জন রাবার শ্রমিককে জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

সেনাবাহিনীর বান্দরবান সেনা জোন (২৮ ই বেঙ্গল)-এর দ্রুত ও পরিকল্পিত অভিযানের ফলে এই সফল উদ্ধার সম্ভব হয়েছে।

জানা যায়, গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ রাত আনুমানিক ১১টা ৩০ মিনিটে টংকাবতী ইউনিয়নের ইসমাইলের রাবার বাগান এলাকা থেকে অজ্ঞাত সশস্ত্র একটি দল ৬ জন শ্রমিককে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরদিন ২৩ এপ্রিল অপহরণকারীরা একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে মোঃ ইসমাইলের কাছে ফোন করে ২০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং অর্থ প্রদান না করলে কিংবা বিষয়টি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে জানালে অপহৃতদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

অপহরণের ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গেই বান্দরবান সেনা জোন বিপুল সংখ্যক সেনাসদস্য নিয়ে একটি বিশেষ অভিযান শুরু করে। ২৩ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিল ভোর ৫টা পর্যন্ত দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় দিন-রাতব্যাপী চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরবর্তীতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ২৪ এপ্রিল ভোরে একটি বিশেষ অভিযান চালানো হলে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা অপহৃত শ্রমিকদের পাহাড়ে রেখেই দ্রুত পালিয়ে যায়।

পরে সেনাসদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে অপহৃতদের জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে নিরাপদে নিয়ে আসে। এসময় ম্যাংতাং ম্রো (৩০), পিতা: পাড়াও ম্রো, গ্রাম: লাকড়ি পাড়া, টংকাবতী নামে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

উদ্ধারকৃত শ্রমিকরা হলেন—মো. ইসমাইল, মো. আরাফাত, মো. শফিক, মো. নুরুল আফসার, মো. কলিমুল্লাহ এবং মো. রমিত। উদ্ধার শেষে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এই সফল অভিযান পাহাড়ি এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর দৃঢ় অবস্থান এবং সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাদের অঙ্গীকারের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং তারা সেনাবাহিনীর এমন দ্রুত পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।