
রিমন পালিত: বান্দরবান : পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বান্দরবানে উদীয়মান তরুণ খেলোয়াড়দের মাঝে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে এক ব্যতিক্রমী মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন বান্দরবান সাবেক সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক লুৎফুর রহমান (উজ্জ্বল)।
ঈদের ঠিক আগ মুহূর্তে তার নিজস্ব ব্যক্তিগত উদ্যোগে এসব খেলোয়াড়দের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়, যা তাদের মাঝে আনন্দ, ভালোবাসা ও অনুপ্রেরণার এক অনন্য পরিবেশ সৃষ্টি করে।
উপহার পেয়ে তরুণ খেলোয়াড়দের মুখে ফুটে ওঠে স্বতঃস্ফূর্ত হাসি। অনেকেই জানান, এমন উদ্যোগ শুধু ঈদের আনন্দই বাড়ায় না, বরং তাদের মনে নতুন করে স্বপ্ন দেখার সাহস জাগিয়ে তোলে। ক্রীড়াঙ্গনে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার পথে এই ধরনের সহযোগিতা তাদের জন্য বড় প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা সুলতানা খান হীরামনি। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, তরুণ প্রজন্মকে ক্রীড়ামুখী রাখতে এবং তাদের সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তিনি লুৎফুর রহমান (উজ্জ্বল)-এর এই মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে সমাজের অন্যান্য বিত্তবান ও সচেতন ব্যক্তিদেরও এভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন , বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মোমেন চৌধুরী, অংচমং চৌধুরী , ক্রীড়া সংগঠক লুৎফুর রহমান (উজ্জ্বল) , যিনি বান্দরবান সাবেক সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে যুক্ত থেকে তরুণদের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, “তরুণ খেলোয়াড়রাই আমাদের ভবিষ্যৎ। তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের মুখে হাসি ফোটানোই আমার মূল লক্ষ্য। ব্যক্তিগত জায়গা থেকে যতটুকু সম্ভব, আমি সবসময় তাদের পাশে থাকতে চাই।” তার এই আন্তরিকতা ও দায়বদ্ধতা উপস্থিত সকলের মন ছুঁয়ে যায়।
অনুষ্ঠানটি শুধু একটি উপহার বিতরণ কর্মসূচি ছিল না; এটি ছিল ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক জীবন্ত প্রতিফলন। খেলোয়াড়দের মাঝে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার মাধ্যমে গড়ে উঠেছে এক সুন্দর বন্ধন, যা ভবিষ্যতে তাদের এগিয়ে যাওয়ার পথে শক্তি জোগাবে।
স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে এই আয়োজন ইতোমধ্যেই ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে বান্দরবানের ক্রীড়াঙ্গন আরও সমৃদ্ধ হবে এবং এখানকার তরুণ খেলোয়াড়রা জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের মেলে ধরার আরও বড় সুযোগ পাবে।
সবশেষে বলা যায়, লুৎফর রহমান (উজ্জ্বল)-এর এই ব্যক্তিগত উদ্যোগ শুধু ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দেয়নি, বরং মানবিকতা, ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধের এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, যা দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।












