, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ফিরে আসা বম-ত্রিপুরা-ম্রো জনগোষ্ঠীর পাশে সেনাবাহিনী, ১২ গ্রামের জন্য দুইটি চাঁদের গাড়ি হস্তান্তর প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বান্দরবানে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা প্রয়াত নিরাপত্তা প্রহরীর পরিবারের পাশে বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্ট চেয়ারম্যান বান্দরবানে ২০ বছর ধরে পলাতক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি উসিংনু মার্মাকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১৫। কুষ্ঠ রোগীদের জীবনমান উন্নয়নে বান্দরবানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে দি লেপ্রসি মিশন ইন্টারন্যাশনাল কুষ্ঠ রোগীদের বর্জন নয়, সচেতনতা ও মানবিক আচরণের আহ্বান চার ধর্মীয় গুরুর বান্দরবানে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা নিয়ে মতবিনিময় সভা বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সেনাবাহিনীর শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ বান্দরবানে ১০ লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ নারী গ্রেপ্তার মানবিকতার আরেকটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন বান্দরবানের জেলা প্রশাসক

আলীকদমে সেনাবাহিনী নির্মিত ৩৭ কিলোমিটার সড়ক হস্তান্তর: পাহাড়ে যোগাযোগে নতুন দিগন্ত ‎

  • প্রকাশের সময় : ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬৫ পড়া হয়েছে

সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ,আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি।
‎বান্দরবানের  আলীকদম থেকে পোয়ামুহুরী পর্যন্ত ৩৭ কিলোমিটার সড়ক আনুষ্ঠানিকভাবে সড়ক বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

‎সোমবার (৬ এপ্রিল) পোয়ামুহুরী নদীর চরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নির্মাণ সংস্থা ১৭ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (ইসিবি) এই সড়ক হস্তান্তর অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে।

‎জানা গেছে,২০১৭ সালে সেনাবাহিনী ১৬ ইসিবি দিয়ে আলীকদম–কুরুপাতা–পোয়ামুহুরী সড়কের কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে ১৭ ইসিবি আলীকদম জালানীপাড়া থেকে পোয়ামুহুরী পর্যন্ত ৩৭ কিলোমিটার সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ করে। মূল নির্মাণকাজ ২০২২ সালে সমাপ্ত হলেও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে ২০২৬ সালে সড়কটি সড়ক বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

‎প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ৫০০ কোটি ৯০ লাখ টাকা। তবে ১৭ ইসিবি কাজ শেষে প্রায় ৩০ কোটি টাকা সরকারকে ফেরত দিয়েছে।

‎হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফারহান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ১৭ ইসিবির প্রকল্প পরিচালক মেজর এহসানুর আকাশ।

‎অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “দুর্গম এই অঞ্চলে সড়ক নির্মাণের ফলে মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকটাই কমেছে। আগে যোগাযোগের সীমাবদ্ধতায় কৃষকরা তাদের ফসলের ন্যায্য মূল্য পেতেন না। এখন সড়ক চালু হওয়ায় পণ্য সহজে পরিবহন করা সম্ভব এবং কৃষকরা তাদের পণ্যের সঠিক দাম পাচ্ছেন।

‎স্হানীয় কারবারী পাচ্ছো ম্রো বলেন, “ বর্তমান সড়কটি সেনাবাহিনীর মাধ্যমে নির্মিত হওয়ার ফলে যাতায়াত অনেক সহজ হয়েছে। আগে কষ্ট করে নদীপথে নৌকা যোগে চলাচল করতে হতো,এখন গাড়ির মাধ্যমে দ্রুত বাজারে পৌঁছানো সম্ভব। আমাদের উৎপাদিত ফসলও এখন ন্যায্য দামে বিক্রি করা যায়।

‎এলাকাবাসীর প্রত্যাশা,সড়কটি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে এটি অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয়

ফিরে আসা বম-ত্রিপুরা-ম্রো জনগোষ্ঠীর পাশে সেনাবাহিনী, ১২ গ্রামের জন্য দুইটি চাঁদের গাড়ি হস্তান্তর

আলীকদমে সেনাবাহিনী নির্মিত ৩৭ কিলোমিটার সড়ক হস্তান্তর: পাহাড়ে যোগাযোগে নতুন দিগন্ত ‎

প্রকাশের সময় : ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ,আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি।
‎বান্দরবানের  আলীকদম থেকে পোয়ামুহুরী পর্যন্ত ৩৭ কিলোমিটার সড়ক আনুষ্ঠানিকভাবে সড়ক বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

‎সোমবার (৬ এপ্রিল) পোয়ামুহুরী নদীর চরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নির্মাণ সংস্থা ১৭ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (ইসিবি) এই সড়ক হস্তান্তর অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে।

‎জানা গেছে,২০১৭ সালে সেনাবাহিনী ১৬ ইসিবি দিয়ে আলীকদম–কুরুপাতা–পোয়ামুহুরী সড়কের কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে ১৭ ইসিবি আলীকদম জালানীপাড়া থেকে পোয়ামুহুরী পর্যন্ত ৩৭ কিলোমিটার সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ করে। মূল নির্মাণকাজ ২০২২ সালে সমাপ্ত হলেও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে ২০২৬ সালে সড়কটি সড়ক বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

‎প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ৫০০ কোটি ৯০ লাখ টাকা। তবে ১৭ ইসিবি কাজ শেষে প্রায় ৩০ কোটি টাকা সরকারকে ফেরত দিয়েছে।

‎হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফারহান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ১৭ ইসিবির প্রকল্প পরিচালক মেজর এহসানুর আকাশ।

‎অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “দুর্গম এই অঞ্চলে সড়ক নির্মাণের ফলে মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকটাই কমেছে। আগে যোগাযোগের সীমাবদ্ধতায় কৃষকরা তাদের ফসলের ন্যায্য মূল্য পেতেন না। এখন সড়ক চালু হওয়ায় পণ্য সহজে পরিবহন করা সম্ভব এবং কৃষকরা তাদের পণ্যের সঠিক দাম পাচ্ছেন।

‎স্হানীয় কারবারী পাচ্ছো ম্রো বলেন, “ বর্তমান সড়কটি সেনাবাহিনীর মাধ্যমে নির্মিত হওয়ার ফলে যাতায়াত অনেক সহজ হয়েছে। আগে কষ্ট করে নদীপথে নৌকা যোগে চলাচল করতে হতো,এখন গাড়ির মাধ্যমে দ্রুত বাজারে পৌঁছানো সম্ভব। আমাদের উৎপাদিত ফসলও এখন ন্যায্য দামে বিক্রি করা যায়।

‎এলাকাবাসীর প্রত্যাশা,সড়কটি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে এটি অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।