, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে ১৮ টি পাড়ার ১৫৫ জন দুর্দশাগ্রস্থ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ ও স্যানিটেশন সামগ্রী বিতরণ ডিজিটাল গণতন্ত্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণে বান্দরবানে কর্মশালা কুষ্ঠ রোগীদের অধিকার নিশ্চিতে বান্দরবানে জেলা সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম গঠন । আগুনে সর্বস্ব হারানো মানুষের পাশে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব জাবেদ রেজা সবুজ ভবিষ্যতের প্রত্যয়ে বান্দরবানে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাংবাদিকদের সেফটি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে বান্দরবানে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বান্দরবানে অধিকার ও সামাজিক সুরক্ষা সেবাসমূহ বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বান্দরবানে বিতর্কিত আহ্বায়ক কমিটি বাতিলের প্রতিবাদে উত্তাল সড়ক আলীকদম-থানচি সড়কে সেনাবাহিনীর অভিযান: কথিত আফিম চাষী আটক, বীজ উদ্ধার

আলীকদমে সেনাবাহিনী নির্মিত ৩৭ কিলোমিটার সড়ক হস্তান্তর: পাহাড়ে যোগাযোগে নতুন দিগন্ত ‎

  • প্রকাশের সময় : ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪১ পড়া হয়েছে

সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ,আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি।
‎বান্দরবানের  আলীকদম থেকে পোয়ামুহুরী পর্যন্ত ৩৭ কিলোমিটার সড়ক আনুষ্ঠানিকভাবে সড়ক বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

‎সোমবার (৬ এপ্রিল) পোয়ামুহুরী নদীর চরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নির্মাণ সংস্থা ১৭ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (ইসিবি) এই সড়ক হস্তান্তর অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে।

‎জানা গেছে,২০১৭ সালে সেনাবাহিনী ১৬ ইসিবি দিয়ে আলীকদম–কুরুপাতা–পোয়ামুহুরী সড়কের কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে ১৭ ইসিবি আলীকদম জালানীপাড়া থেকে পোয়ামুহুরী পর্যন্ত ৩৭ কিলোমিটার সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ করে। মূল নির্মাণকাজ ২০২২ সালে সমাপ্ত হলেও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে ২০২৬ সালে সড়কটি সড়ক বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

‎প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ৫০০ কোটি ৯০ লাখ টাকা। তবে ১৭ ইসিবি কাজ শেষে প্রায় ৩০ কোটি টাকা সরকারকে ফেরত দিয়েছে।

‎হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফারহান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ১৭ ইসিবির প্রকল্প পরিচালক মেজর এহসানুর আকাশ।

‎অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “দুর্গম এই অঞ্চলে সড়ক নির্মাণের ফলে মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকটাই কমেছে। আগে যোগাযোগের সীমাবদ্ধতায় কৃষকরা তাদের ফসলের ন্যায্য মূল্য পেতেন না। এখন সড়ক চালু হওয়ায় পণ্য সহজে পরিবহন করা সম্ভব এবং কৃষকরা তাদের পণ্যের সঠিক দাম পাচ্ছেন।

‎স্হানীয় কারবারী পাচ্ছো ম্রো বলেন, “ বর্তমান সড়কটি সেনাবাহিনীর মাধ্যমে নির্মিত হওয়ার ফলে যাতায়াত অনেক সহজ হয়েছে। আগে কষ্ট করে নদীপথে নৌকা যোগে চলাচল করতে হতো,এখন গাড়ির মাধ্যমে দ্রুত বাজারে পৌঁছানো সম্ভব। আমাদের উৎপাদিত ফসলও এখন ন্যায্য দামে বিক্রি করা যায়।

‎এলাকাবাসীর প্রত্যাশা,সড়কটি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে এটি অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে ১৮ টি পাড়ার ১৫৫ জন দুর্দশাগ্রস্থ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ ও স্যানিটেশন সামগ্রী বিতরণ

আলীকদমে সেনাবাহিনী নির্মিত ৩৭ কিলোমিটার সড়ক হস্তান্তর: পাহাড়ে যোগাযোগে নতুন দিগন্ত ‎

প্রকাশের সময় : ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ,আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি।
‎বান্দরবানের  আলীকদম থেকে পোয়ামুহুরী পর্যন্ত ৩৭ কিলোমিটার সড়ক আনুষ্ঠানিকভাবে সড়ক বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

‎সোমবার (৬ এপ্রিল) পোয়ামুহুরী নদীর চরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নির্মাণ সংস্থা ১৭ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (ইসিবি) এই সড়ক হস্তান্তর অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে।

‎জানা গেছে,২০১৭ সালে সেনাবাহিনী ১৬ ইসিবি দিয়ে আলীকদম–কুরুপাতা–পোয়ামুহুরী সড়কের কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে ১৭ ইসিবি আলীকদম জালানীপাড়া থেকে পোয়ামুহুরী পর্যন্ত ৩৭ কিলোমিটার সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ করে। মূল নির্মাণকাজ ২০২২ সালে সমাপ্ত হলেও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে ২০২৬ সালে সড়কটি সড়ক বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

‎প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ৫০০ কোটি ৯০ লাখ টাকা। তবে ১৭ ইসিবি কাজ শেষে প্রায় ৩০ কোটি টাকা সরকারকে ফেরত দিয়েছে।

‎হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফারহান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ১৭ ইসিবির প্রকল্প পরিচালক মেজর এহসানুর আকাশ।

‎অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “দুর্গম এই অঞ্চলে সড়ক নির্মাণের ফলে মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকটাই কমেছে। আগে যোগাযোগের সীমাবদ্ধতায় কৃষকরা তাদের ফসলের ন্যায্য মূল্য পেতেন না। এখন সড়ক চালু হওয়ায় পণ্য সহজে পরিবহন করা সম্ভব এবং কৃষকরা তাদের পণ্যের সঠিক দাম পাচ্ছেন।

‎স্হানীয় কারবারী পাচ্ছো ম্রো বলেন, “ বর্তমান সড়কটি সেনাবাহিনীর মাধ্যমে নির্মিত হওয়ার ফলে যাতায়াত অনেক সহজ হয়েছে। আগে কষ্ট করে নদীপথে নৌকা যোগে চলাচল করতে হতো,এখন গাড়ির মাধ্যমে দ্রুত বাজারে পৌঁছানো সম্ভব। আমাদের উৎপাদিত ফসলও এখন ন্যায্য দামে বিক্রি করা যায়।

‎এলাকাবাসীর প্রত্যাশা,সড়কটি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে এটি অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।