, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বাল্যবিবাহমুক্ত গ্রাম গড়তে রোয়াংছড়িতে কারবারি-হেডম্যানদের সঙ্গে প্রশাসনের মতবিনিময় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন রক্ষাকারী সেবায় প্রবেশাধিকার বাড়াতে বান্দরবানে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা বান্দরবানে কুষ্ঠ ও প্রতিবন্ধীদের অধিকার নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান বান্দরবানে আন্তর্জাতিক যুব দিবস উদযাপন দৈনিক বান্দরবানের কন্ঠ অনলাইন নিউজ প্রতিষ্ঠানের প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই।  দীর্ঘ ৭৫ বছর পর বান্দরবান সার্বজনীন কেন্দ্রীয় মন্দিরে ভোটগ্রহণ, উৎসবমুখর পরিবেশে সনাতনী সমাজের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস  উপলক্ষে সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছেন পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই । বান্দরবানের মানুষ আমার প্রাণ, যতদিন বেঁচে আছি তাদের সেবা করে যাব: এমপি সাচিং প্রু জেরী বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা বান্দরবান কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দিরের নবনির্বাচিত সভাপতি রাজেশ্বর দাশ বিপ্লবকে অগ্রিম অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা

বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে দায়িত্ব, মানবতার পাশে প্রতিশ্রুতি—সাহস, শৃঙ্খলা ও সেবায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

  • প্রকাশের সময় : ০৭:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • ১২৩ পড়া হয়েছে

রিমন পালিত: বান্দরবান: দেশের প্রতিটি সংকট, প্রতিটি চ্যালেঞ্জ আর প্রতিটি মানবিক মুহূর্তে একটি নাম নির্ভরতার প্রতীক হয়ে বারবার সামনে আসে, সেটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সীমান্তে অটল প্রহরা থেকে শুরু করে দুর্গম পাহাড়ি জনপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানো—সবখানেই তাদের উপস্থিতি এক আশ্বাস, এক সাহস, এক ভরসার আলো।

বান্দরবানের আলীকদমে প্রতিষ্ঠিত অত্যাধুনিক Army Hill & Jungle Warfare School এই ধারাবাহিকতারই এক উজ্জ্বল উদাহরণ। দুর্গম পাহাড় ও ঘন জঙ্গলে বাস্তব পরিস্থিতির মতো প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সেনাসদস্যদের গড়ে তোলা হচ্ছে আরও দক্ষ, আরও কৌশলী এবং আরও আত্মবিশ্বাসী করে—যাতে দেশের যে কোনো প্রান্তে, যে কোনো পরিস্থিতিতে তারা সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকতে পারে।

কিন্তু বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শক্তি শুধু তাদের যুদ্ধ প্রস্তুতিতে নয় তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি মানবতার প্রতি অঙ্গীকারে।পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম অঞ্চলে তারা শুধু নিরাপত্তা দেয় না—তারা জীবন গড়ে দেয়।

দুর্গম পাহাড়ে রাস্তা নির্মাণ করে যোগাযোগের নতুন দুয়ার খুলে দেওয়া, প্রত্যন্ত গ্রামে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেওয়া, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে শিক্ষার আলো জ্বালানো, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এসব কাজের মাধ্যমে সেনাবাহিনী হয়ে উঠেছে মানুষের আপনজন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগে যখন সবকিছু ভেঙে পড়ে, তখনই প্রথম ছুটে আসে এই বাহিনী,বন্যা, পাহাড়ধস, অগ্নিকাণ্ড কিংবা যেকোনো বিপর্যয়ে উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসনে তাদের নিরলস ভূমিকা অসংখ্য প্রাণ বাঁচিয়েছে।

অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফিরিয়ে আনাই যেন তাদের আরেকটি নীরব দায়িত্ব। পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবদান অনস্বীকার্য। পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সঙ্গে বিশ্বাস ও ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে তুলে তারা কাজ করছে একসাথে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য।

আজকের বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শুধু একটি প্রতিরক্ষা বাহিনী নয় এটি একটি মানবিক শক্তি, একটি উন্নয়ন সহযোগী, একটি আস্থার নাম। তাদের প্রতিটি পদক্ষেপে আছে দেশপ্রেম, প্রতিটি কাজে আছে মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা।

দেশের সুরক্ষা থেকে মানুষের সেবা সবখানেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মানেই সাহস, শৃঙ্খলা, আত্মত্যাগ আর মানবতার এক অবিচল প্রতিচ্ছবি।

বাল্যবিবাহমুক্ত গ্রাম গড়তে রোয়াংছড়িতে কারবারি-হেডম্যানদের সঙ্গে প্রশাসনের মতবিনিময়

বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে দায়িত্ব, মানবতার পাশে প্রতিশ্রুতি—সাহস, শৃঙ্খলা ও সেবায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

প্রকাশের সময় : ০৭:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

রিমন পালিত: বান্দরবান: দেশের প্রতিটি সংকট, প্রতিটি চ্যালেঞ্জ আর প্রতিটি মানবিক মুহূর্তে একটি নাম নির্ভরতার প্রতীক হয়ে বারবার সামনে আসে, সেটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সীমান্তে অটল প্রহরা থেকে শুরু করে দুর্গম পাহাড়ি জনপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানো—সবখানেই তাদের উপস্থিতি এক আশ্বাস, এক সাহস, এক ভরসার আলো।

বান্দরবানের আলীকদমে প্রতিষ্ঠিত অত্যাধুনিক Army Hill & Jungle Warfare School এই ধারাবাহিকতারই এক উজ্জ্বল উদাহরণ। দুর্গম পাহাড় ও ঘন জঙ্গলে বাস্তব পরিস্থিতির মতো প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সেনাসদস্যদের গড়ে তোলা হচ্ছে আরও দক্ষ, আরও কৌশলী এবং আরও আত্মবিশ্বাসী করে—যাতে দেশের যে কোনো প্রান্তে, যে কোনো পরিস্থিতিতে তারা সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকতে পারে।

কিন্তু বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শক্তি শুধু তাদের যুদ্ধ প্রস্তুতিতে নয় তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি মানবতার প্রতি অঙ্গীকারে।পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম অঞ্চলে তারা শুধু নিরাপত্তা দেয় না—তারা জীবন গড়ে দেয়।

দুর্গম পাহাড়ে রাস্তা নির্মাণ করে যোগাযোগের নতুন দুয়ার খুলে দেওয়া, প্রত্যন্ত গ্রামে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেওয়া, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে শিক্ষার আলো জ্বালানো, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এসব কাজের মাধ্যমে সেনাবাহিনী হয়ে উঠেছে মানুষের আপনজন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগে যখন সবকিছু ভেঙে পড়ে, তখনই প্রথম ছুটে আসে এই বাহিনী,বন্যা, পাহাড়ধস, অগ্নিকাণ্ড কিংবা যেকোনো বিপর্যয়ে উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসনে তাদের নিরলস ভূমিকা অসংখ্য প্রাণ বাঁচিয়েছে।

অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফিরিয়ে আনাই যেন তাদের আরেকটি নীরব দায়িত্ব। পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবদান অনস্বীকার্য। পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সঙ্গে বিশ্বাস ও ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে তুলে তারা কাজ করছে একসাথে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য।

আজকের বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শুধু একটি প্রতিরক্ষা বাহিনী নয় এটি একটি মানবিক শক্তি, একটি উন্নয়ন সহযোগী, একটি আস্থার নাম। তাদের প্রতিটি পদক্ষেপে আছে দেশপ্রেম, প্রতিটি কাজে আছে মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা।

দেশের সুরক্ষা থেকে মানুষের সেবা সবখানেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মানেই সাহস, শৃঙ্খলা, আত্মত্যাগ আর মানবতার এক অবিচল প্রতিচ্ছবি।